সজ্ঞানে করোনা ভাইরাস মহামারি ছড়ানোর
প্রমাণ পেলে চীনকে কঠিন পরিনতি ভোগ করতে হবে বলে হুমকী দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউজেরর দৈনন্দিন ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, শুরু
হওয়ার আগেই এটা চীনে থামানো যেত। কিন্তু তেমনটা হয়নি। এজন্য পুরো বিশ্ব ভুগছে।
চীনের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ শুরু
থেকেই করা হচ্ছে। ওয়াশিংটন টাইমস এ এর আগেও করোনা কে জীবাণু অস্ত্র বলে অভিযোগ করা
হয়। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে চীনের বিরুদ্ধে ২০ কোটি ডলার এর ক্ষতিপূরন মামলাও
দায়ের করা হয়েছে। ঠিক একইভাবে জার্মানিও সম্প্রতি চীনের কাছে ১৩০০০ কোটি পাউন্ডের
ক্ষতিপূরন দাবী করেছে বলে জার্মানির জাতীয় পত্রিকা বিল্ড এর বরাতে জানা গেছে।
এখন প্রশ্ন হলো, চীন কি আসলেই করোনা
বিস্তারের জন্য দায়ী?
ভাইরাসটির উৎপত্তি হয় চীনের হুবেই
প্রদেশের রাজধানী উহানে। চীন আনুষ্ঠানিকভাবে করোনা এর ঘোষনা দেয় ২০১৯ এর ৩১ এ
ডিসেম্বর। কিন্তু এর প্রায় ৩ সপ্তাহ আগেই ডা ওয়েনলিয়াং নতুন এক রোগের উপসর্গের
ঘোষনা দেন, যেটি করোনারূপে পরবর্তীতে প্রকাশ পায়। চীন সরকার উহানে লোকডাউন ঘোষনা
করে ২০২০ সালের ২৮ শে জানুয়ারি। US National Library of Medicine একটিগবেষনায়পত্রে দেখা যায় এর পূরবেই ৭০ হাজারেরও বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে পড়ে।
ঠিক একই চিত্র দেখা যায় ২০০৯ সালে, যখন চীনে শিশুখাদ্যে মেলানিন এর উপস্থিতি ধরা
পড়ে। চীন তখনও বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার আপ্রান চেষ্টা করে। কিন্তু এরমধ্যেই চীনসহ
অনেকগুলো দেশেই মেলানিন মিশ্রিত শিশুখাদ্যে ছড়ীয়ে পড়ে। ইতোমধ্যেই চীন সরকার করোনা
বিষয়ে গবেষনার ক্ষেত্রে বিধি-বিধি নিষেধও আরোপ করেছে একটি ঘোষনায়। প্রকাশিত ২ টিগবেষণাপত্রও সরিয়ে নিতে বাধ্য করেছে।
চীন সরকারের এই ধরনের কঠোর নীতি এবং তথ্য
গোপনের অভিযোগ বিবেচনায় নিলে করোনা বিস্তারে চীনের দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া যায় না।
শরীফ মুস্তাজীব

No comments:
Post a Comment