আবারো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উত্তর কোরীয় কূটনীতিবিদ । ঢাকায় নিযুক্ত উত্তর কোরীয় দূতাবাসের কর্মকর্তা জাং সন কে অবাঞ্ছিত (persona non granta) ঘোষণা করা হল সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর । ব্যাপারটা নতুন নয় , গত বছরও হাং সান উন নামের আরেক কর্মকর্তাকে একই ভাবে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছিল স্বর্ণ পাচারের সংশ্লিষ্টতার কারনে ।
বাংলাদেশ- উত্তর কোরীয়া সম্পর্ক যতটা না বৈষয়িক তারচে বেশি আনুষ্ঠানিক । বাণিজ্য , যোগাযোগ কিংবা আন্তর্জাতিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলী খুব বেশি প্রগাঢ় নায় । যে কারনে বাংলাদেশ তার সম্পর্ক খুব বেশি বিবেচনা করেনি ইতোমধ্যে । কিন্তু উত্তর কোরিয়ার বর্তমান পাগলাটে শাসক কিম জং উন এর কার্যবিধি ও তাদের কূটনীতিকদের এহেন কার্যকলাপে বিষয়টি সর্ব ক্ষেত্রে বিশেষত নিরাপত্তার খাতিরে গুরুত্বের দাবীদার । এছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ চুরিতেও কোরীয় নাগরিকের সংশ্লিষ্টতা বিবেচ্য ।
আমারা জানি ভিয়েনা কনভেনশন ১৯৬১ অনুসারে কূটনীতিবিদগণ কিছু সুযোগ সুবিধা ও দায়মুক্তি পেয়ে থাকেন । এক্ষেত্রে অনুচ্ছেদ- ২২ দূতাবাসগুলোকে তল্লাশি কিংবা অনতিক্রম্মতা দেয়া হয়েছে । তেমনিভাবে অনুচ্ছেদ- ২৯ কূটনীতিবিদদেরকেও একই সুবিধা দেয়া হয়েছে । আর ৩১তম ধারায় তাদেরকে গ্রাহক রাষ্ট্রের বিচারিক দন্ডাবিধি থেকে মুক্তি দেয়া হয়েছে । কিন্তু এই সুবিধার অপ-ব্যবহার সরকারকে বিকল্প ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দিচ্ছে ।
এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সামষ্টিক কূটনীতি বিবেচনায় নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাব নিতে পারে । একথা জানা যে উত্তর কোরীয়া যতই পারমাণবিক শক্তির আস্ফালন করুক না কেন , এর অর্থনৈতিক ভিত্তি বেশ দুর্বল । কাজেই বৈদেশিক নীতিতে এখনই উত্তর কোরিয়াকে ইয়েলো কার্ড না দেখালে সামনে বিড়ম্বনা বাড়বে ।
দেখুন আমার আন্তর্জাতিক ব্লগ
শরীফ মুস্তাজিব
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ
চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ,
বাংলাদেশ- উত্তর কোরীয়া সম্পর্ক যতটা না বৈষয়িক তারচে বেশি আনুষ্ঠানিক । বাণিজ্য , যোগাযোগ কিংবা আন্তর্জাতিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলী খুব বেশি প্রগাঢ় নায় । যে কারনে বাংলাদেশ তার সম্পর্ক খুব বেশি বিবেচনা করেনি ইতোমধ্যে । কিন্তু উত্তর কোরিয়ার বর্তমান পাগলাটে শাসক কিম জং উন এর কার্যবিধি ও তাদের কূটনীতিকদের এহেন কার্যকলাপে বিষয়টি সর্ব ক্ষেত্রে বিশেষত নিরাপত্তার খাতিরে গুরুত্বের দাবীদার । এছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ চুরিতেও কোরীয় নাগরিকের সংশ্লিষ্টতা বিবেচ্য ।
আমারা জানি ভিয়েনা কনভেনশন ১৯৬১ অনুসারে কূটনীতিবিদগণ কিছু সুযোগ সুবিধা ও দায়মুক্তি পেয়ে থাকেন । এক্ষেত্রে অনুচ্ছেদ- ২২ দূতাবাসগুলোকে তল্লাশি কিংবা অনতিক্রম্মতা দেয়া হয়েছে । তেমনিভাবে অনুচ্ছেদ- ২৯ কূটনীতিবিদদেরকেও একই সুবিধা দেয়া হয়েছে । আর ৩১তম ধারায় তাদেরকে গ্রাহক রাষ্ট্রের বিচারিক দন্ডাবিধি থেকে মুক্তি দেয়া হয়েছে । কিন্তু এই সুবিধার অপ-ব্যবহার সরকারকে বিকল্প ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দিচ্ছে ।
এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সামষ্টিক কূটনীতি বিবেচনায় নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাব নিতে পারে । একথা জানা যে উত্তর কোরীয়া যতই পারমাণবিক শক্তির আস্ফালন করুক না কেন , এর অর্থনৈতিক ভিত্তি বেশ দুর্বল । কাজেই বৈদেশিক নীতিতে এখনই উত্তর কোরিয়াকে ইয়েলো কার্ড না দেখালে সামনে বিড়ম্বনা বাড়বে ।
দেখুন আমার আন্তর্জাতিক ব্লগ
শরীফ মুস্তাজিব
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ
চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ,

No comments:
Post a Comment