আঞ্চলিক সংযুক্তি, বাণিজ্য, যোগাযোগ ইত্যাদি ক্ষেত্রে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতিতে ১৯৯৭ বিমসটেক এর যাত্রা। গবেষক, নীতিনির্ধারক, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পক্ষ এই আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্ব বিষয়ে একমত; যদিও ঈপ্সিত লক্ষ্য হতে এ অঞ্চলের দেশসমূহ এখনো অনেকটা দূরে। স্বাধীন কিন্তু আন্তঃরাষ্ট্রীয় যোগাযোগের প্রেক্ষাপটে , অর্থনৈতিক এবং নিরাপত্তাগত বাস্তবতায় রাষ্ট্রীয় সীমা অতিক্রান্ত সহযোগিতা আজকের বিশ্বে নিরেট বাস্তবতা। তথাপি, প্রশ্ন থাকে যে এতদঞ্চলের দেশগুলো এক্ষেত্রে কতটা উন্নতিসাধনে প্রাগ্রসর। তদুত্তরে বলা যায়- বাণিজ্য ও বিনিয়োগে সমৃদ্ধি, ট্যারিফ ও নন-ট্যারিফ বাঁধা নিরসনে, একটি সময়োপযোগী রাজনৈতিক- অর্থনীতির পরিবেশ জরুরী।
রাজনৈতিক-অর্থনীতির এই প্রবাহে বিভিন্ন কর্মকসমূহের ভূমিকা প্রতিফলিত হয়, জাতীয় ও আঞ্চলিক এই সকল কর্মকসমূহের মিথস্ক্রিয়া আঞ্চলিক লক্ষ্যমাত্রাকে বাস্তবায়ন করে। যার ফলশ্রুতিতে, বিমসটেক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের ভূমিকাকে সমালোচনামূক দৃষ্টিতে বিশ্লেষণ করা দরকার। পাশাপাশি, বিভিন্ন প্রাইভেট সেকটর, সিভিল সোসাইটি, গণমাধ্যম ইত্যাদি অঙ্গনের ভূমিকাও বিশেষ বিবেচ্য।


