Monday, April 20, 2020

করোনা ভাইরাসের জন্য কি চীন দায়ী?

সজ্ঞানে করোনা ভাইরাস মহামারি ছড়ানোর প্রমাণ পেলে চীনকে কঠিন পরিনতি ভোগ করতে হবে বলে হুমকী দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউজেরর দৈনন্দিন ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, শুরু হওয়ার আগেই এটা চীনে থামানো যেত। কিন্তু তেমনটা হয়নি। এজন্য পুরো বিশ্ব ভুগছে।
চীনের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ শুরু থেকেই করা হচ্ছে। ওয়াশিংটন টাইমস এ এর আগেও করোনা কে জীবাণু অস্ত্র বলে অভিযোগ করা হয়। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে চীনের বিরুদ্ধে ২০ কোটি ডলার এর ক্ষতিপূরন মামলাও দায়ের করা হয়েছে। ঠিক একইভাবে জার্মানিও সম্প্রতি চীনের কাছে ১৩০০০ কোটি পাউন্ডের ক্ষতিপূরন দাবী করেছে বলে জার্মানির জাতীয় পত্রিকা বিল্ড এর বরাতে জানা গেছে।
এখন প্রশ্ন হলো, চীন কি আসলেই করোনা বিস্তারের জন্য দায়ী?

Wednesday, April 15, 2020

করোনা বিস্তারঃ বৈজ্ঞানিক সীমাবদ্ধতা নাকি রাজনৈতিক ব্যর্থতা

আন্তর্জাতিক রাজনীতি আবারো উত্তপ্ত হয়ে উঠছে নতুন এক বিতর্কে। এই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে করোনা নামক এক ক্ষদ্র অনুজীব। জ্ঞান-বিজ্ঞান-প্রযুক্তির সাফল্য চূড়ায় অবস্থানরত এই সময় একটি ক্ষুদ্র অনুজীব কিভাবে পুরো বিশ্বকে স্থবির করে দিলো তার সূত্র ধরে প্রশ্ন উঠেছে, এটি কি আদৌ একটি বৈজ্ঞানিক সীমাবদ্ধতা নাকি রাজনৈতিক ব্যর্থতা!



Saturday, April 11, 2020

করোনা ভাইরাসের আন্তর্জাতিক রাজনীতিঃ যে ৫ টি প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে বিশ্ব!

ক্ষুদ্র একটি বিশ্ব আজ সারা বিশ্বকে স্থম্ভিত করে দিয়েছে, যার নাম করোনা বা কোভিড-১৯। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সবকিছু থেমে গেলেও থেমে নেই বিতর্ক। করোনা আসলে কী, এটি কি নিছক একটি জীবাণু নাকি অন্য কিছু! এর পেছনে কি কোন ষড়যন্ত্র তত্ত্ব এর কারসাজি আছে? ভবিশ্ষ্যতে কি এই ধরনের ভাইরাস আবারো হানা দেবে?এই ধরনের নানান প্রশ্ন ভেসে বেড়াচ্ছে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে। আজ আমরা এই ধরনের ৫ টি প্রশ্নের উত্তর খোজার চেষ্টা করবো যা করোনা পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক রাজনীতিকে আরো উষ্ণ করে তুলেছে।

Saturday, April 4, 2020

অনিরাপত্তার বিশ্বায়ন ও রাষ্ট্রের সংকট

"বিশ্বায়ন" শব্দটির সাথে আমরা অনেকেই পরিচিত। বর্তমান বিশ্বের প্রায় প্রতিটি মানুষ-ই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বিশ্বায়নে সংযুক্ত। পৃথিবীর একপ্রান্ত থেকে অপরপ্রান্তে মানুষে মানুষে সংযুক্তি, তড়িৎ যোগাযোগ ব্যবস্থা, মুক্তবাজার ব্যবস্থা, তথ্যপ্রবাহ - সবকিছু মিলিয়ে আমরা আজ বিশ্বগ্রাম (global village) এর বাসিন্দা।



বিশ্বায়নের শুরু সেই অনাদিকাল থেকে। সভ্যতার ঊষালগ্ন থেকেই মানুষ পরিভ্রমণ করেছে এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে; কখনো অজানাকে জানার আগ্রহে আবার কখনো বা আত্মরক্ষার্থে। একটা সময় মানুষ ছড়িয়ে পড়েছে পুরো গোলকজুড়ে। দেশ থেকে মহাদেশে বাণিজ্য করতে শুরূ করলো। ধর্ম প্রচারে ভ্রমণ করলো দেশ দেশান্তর। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষতা এই পথ-পরিক্রমাকে ত্বরান্বিত করলো গত শতকে। আজকের শতকে আমরা বিশ্বায়নের শিখরে দাড়িয়ে। প্রশ্ন জাগে- এই বিশ্বায়ন কি শুধুই জ্ঞান-বিজ্ঞান, ব্যবসা-বাণিজ্য ও যোগাযোগ সংযুক্তি নাকি মুদ্রার অপর পিঠে আরো কিছু ঘটে চলেছে। অর্থনীতির বিশ্বায়নে কি সকলে সমান সুফল লাভে করছে, নাকি পুঁজিবাদের শিকড় বিস্তৃত হচ্ছে। সংষ্কৃতির বিনিময় বেড়েছে, নাকি পপুলার কালচারে হারিয়ে যাচ্ছে দেশজ ও স্থানীক কৃষ্টি। এই বিশ্বায়ন কি পৃথিবীকে নিরাপদ, নাকি আরো বেশি অনিরাপদ করেছে- বেড়েছে অপরাধীদের যোগাযোগ।
সর্বশেষ যে প্রশ্নটি আমাদের আসামীর কাঠগড়ায় দাড় করিয়েছে তা হলো, এই বিশ্বায়ন কি রোগ-ব্যাধি-সংক্রমণের বিশ্বায়ন নয়? করোনা বা কোভিড-১৯ নামক এক প্রাণঘাতী ভাইরাস এর বিশ্বভ্রমণ বিশ্বায়নের আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। শুধু তাই নয়, প্রশ্নটা জোরালো হয়েছে যে, অনিরাপত্তার বিশ্বায়নের (globalization of insecurity)  জন্য কি আমরা প্রস্তুত?