স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তী সময় থেকে আমেরিকা বিশ্ব-ব্যবস্থায় একাধিপত্য করে যাচ্ছে। বিশ্ব-ব্যবস্থার নেতৃত্ব (hegemony) সুদৃঢ় রাখতে আমেরিকা বরাবরই বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেছে। এই কৌশলের মূল লক্ষ্য ছিল অপর কোন রাষ্ট্রকে তার সমকক্ষ হতে না দেওয়া। যার ফলে আমেরিকা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কৌশলে দেশগুলোকে অনবদমিত করেছে; এই দলে যেমন রয়েছে তার নিকট প্রতিবেশী, তেমনি রয়েছে দূরবর্তী কোন রাষ্ট্র। রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, জাপান, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশকে অবলম্বন করে বরাবরই আমেরিকা নিজের লক্ষ্য স্থির রেখেছে। সাম্প্রতিক সময়ে চীনের উত্থান আমেরিকার জন্য মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। তাই বিভিন্ন কৌশলে চীনকে নিয়ন্ত্রণ করতে আমেরিকা বদ্ধপরিকর। আর এক্ষেত্রে ভারত কিভাবে আমেরিকার কৌশলগত বন্ধুর আবেশে চীন রোধে আমেরিকার হাতিয়ার হয়ে পড়েছে তা আলোচনার বিষয়।
Monday, June 15, 2020
Monday, April 20, 2020
করোনা ভাইরাসের জন্য কি চীন দায়ী?
সজ্ঞানে করোনা ভাইরাস মহামারি ছড়ানোর
প্রমাণ পেলে চীনকে কঠিন পরিনতি ভোগ করতে হবে বলে হুমকী দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউজেরর দৈনন্দিন ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, শুরু
হওয়ার আগেই এটা চীনে থামানো যেত। কিন্তু তেমনটা হয়নি। এজন্য পুরো বিশ্ব ভুগছে।
চীনের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ শুরু
থেকেই করা হচ্ছে। ওয়াশিংটন টাইমস এ এর আগেও করোনা কে জীবাণু অস্ত্র বলে অভিযোগ করা
হয়। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে চীনের বিরুদ্ধে ২০ কোটি ডলার এর ক্ষতিপূরন মামলাও
দায়ের করা হয়েছে। ঠিক একইভাবে জার্মানিও সম্প্রতি চীনের কাছে ১৩০০০ কোটি পাউন্ডের
ক্ষতিপূরন দাবী করেছে বলে জার্মানির জাতীয় পত্রিকা বিল্ড এর বরাতে জানা গেছে।
এখন প্রশ্ন হলো, চীন কি আসলেই করোনা
বিস্তারের জন্য দায়ী?
Wednesday, April 15, 2020
করোনা বিস্তারঃ বৈজ্ঞানিক সীমাবদ্ধতা নাকি রাজনৈতিক ব্যর্থতা
আন্তর্জাতিক রাজনীতি আবারো উত্তপ্ত হয়ে উঠছে নতুন এক বিতর্কে। এই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে করোনা নামক এক ক্ষদ্র অনুজীব। জ্ঞান-বিজ্ঞান-প্রযুক্তির সাফল্য চূড়ায় অবস্থানরত এই সময় একটি ক্ষুদ্র অনুজীব কিভাবে পুরো বিশ্বকে স্থবির করে দিলো তার সূত্র ধরে প্রশ্ন উঠেছে, এটি কি আদৌ একটি বৈজ্ঞানিক সীমাবদ্ধতা নাকি রাজনৈতিক ব্যর্থতা!
Saturday, April 11, 2020
করোনা ভাইরাসের আন্তর্জাতিক রাজনীতিঃ যে ৫ টি প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে বিশ্ব!
ক্ষুদ্র একটি বিশ্ব আজ সারা বিশ্বকে
স্থম্ভিত করে দিয়েছে, যার
নাম করোনা বা কোভিড-১৯। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সবকিছু থেমে গেলেও থেমে নেই বিতর্ক।
করোনা আসলে কী, এটি
কি নিছক একটি জীবাণু নাকি অন্য কিছু! এর পেছনে কি কোন ষড়যন্ত্র তত্ত্ব এর কারসাজি
আছে? ভবিশ্ষ্যতে
কি এই ধরনের ভাইরাস আবারো হানা দেবে?এই ধরনের নানান প্রশ্ন ভেসে বেড়াচ্ছে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে।
আজ আমরা এই ধরনের ৫ টি প্রশ্নের উত্তর খোজার চেষ্টা করবো যা করোনা পরিস্থিতিতে
আন্তর্জাতিক রাজনীতিকে আরো উষ্ণ করে তুলেছে।
Saturday, April 4, 2020
অনিরাপত্তার বিশ্বায়ন ও রাষ্ট্রের সংকট
"বিশ্বায়ন" শব্দটির সাথে আমরা অনেকেই পরিচিত। বর্তমান বিশ্বের প্রায় প্রতিটি মানুষ-ই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বিশ্বায়নে সংযুক্ত। পৃথিবীর একপ্রান্ত থেকে অপরপ্রান্তে মানুষে মানুষে সংযুক্তি, তড়িৎ যোগাযোগ ব্যবস্থা, মুক্তবাজার ব্যবস্থা, তথ্যপ্রবাহ - সবকিছু মিলিয়ে আমরা আজ বিশ্বগ্রাম (global village) এর বাসিন্দা।
বিশ্বায়নের শুরু সেই অনাদিকাল থেকে। সভ্যতার ঊষালগ্ন থেকেই মানুষ পরিভ্রমণ করেছে এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে; কখনো অজানাকে জানার আগ্রহে আবার কখনো বা আত্মরক্ষার্থে। একটা সময় মানুষ ছড়িয়ে পড়েছে পুরো গোলকজুড়ে। দেশ থেকে মহাদেশে বাণিজ্য করতে শুরূ করলো। ধর্ম প্রচারে ভ্রমণ করলো দেশ দেশান্তর। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষতা এই পথ-পরিক্রমাকে ত্বরান্বিত করলো গত শতকে। আজকের শতকে আমরা বিশ্বায়নের শিখরে দাড়িয়ে। প্রশ্ন জাগে- এই বিশ্বায়ন কি শুধুই জ্ঞান-বিজ্ঞান, ব্যবসা-বাণিজ্য ও যোগাযোগ সংযুক্তি নাকি মুদ্রার অপর পিঠে আরো কিছু ঘটে চলেছে। অর্থনীতির বিশ্বায়নে কি সকলে সমান সুফল লাভে করছে, নাকি পুঁজিবাদের শিকড় বিস্তৃত হচ্ছে। সংষ্কৃতির বিনিময় বেড়েছে, নাকি পপুলার কালচারে হারিয়ে যাচ্ছে দেশজ ও স্থানীক কৃষ্টি। এই বিশ্বায়ন কি পৃথিবীকে নিরাপদ, নাকি আরো বেশি অনিরাপদ করেছে- বেড়েছে অপরাধীদের যোগাযোগ।
সর্বশেষ যে প্রশ্নটি আমাদের আসামীর কাঠগড়ায় দাড় করিয়েছে তা হলো, এই বিশ্বায়ন কি রোগ-ব্যাধি-সংক্রমণের বিশ্বায়ন নয়? করোনা বা কোভিড-১৯ নামক এক প্রাণঘাতী ভাইরাস এর বিশ্বভ্রমণ বিশ্বায়নের আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। শুধু তাই নয়, প্রশ্নটা জোরালো হয়েছে যে, অনিরাপত্তার বিশ্বায়নের (globalization of insecurity) জন্য কি আমরা প্রস্তুত?
বিশ্বায়নের শুরু সেই অনাদিকাল থেকে। সভ্যতার ঊষালগ্ন থেকেই মানুষ পরিভ্রমণ করেছে এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে; কখনো অজানাকে জানার আগ্রহে আবার কখনো বা আত্মরক্ষার্থে। একটা সময় মানুষ ছড়িয়ে পড়েছে পুরো গোলকজুড়ে। দেশ থেকে মহাদেশে বাণিজ্য করতে শুরূ করলো। ধর্ম প্রচারে ভ্রমণ করলো দেশ দেশান্তর। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষতা এই পথ-পরিক্রমাকে ত্বরান্বিত করলো গত শতকে। আজকের শতকে আমরা বিশ্বায়নের শিখরে দাড়িয়ে। প্রশ্ন জাগে- এই বিশ্বায়ন কি শুধুই জ্ঞান-বিজ্ঞান, ব্যবসা-বাণিজ্য ও যোগাযোগ সংযুক্তি নাকি মুদ্রার অপর পিঠে আরো কিছু ঘটে চলেছে। অর্থনীতির বিশ্বায়নে কি সকলে সমান সুফল লাভে করছে, নাকি পুঁজিবাদের শিকড় বিস্তৃত হচ্ছে। সংষ্কৃতির বিনিময় বেড়েছে, নাকি পপুলার কালচারে হারিয়ে যাচ্ছে দেশজ ও স্থানীক কৃষ্টি। এই বিশ্বায়ন কি পৃথিবীকে নিরাপদ, নাকি আরো বেশি অনিরাপদ করেছে- বেড়েছে অপরাধীদের যোগাযোগ।
সর্বশেষ যে প্রশ্নটি আমাদের আসামীর কাঠগড়ায় দাড় করিয়েছে তা হলো, এই বিশ্বায়ন কি রোগ-ব্যাধি-সংক্রমণের বিশ্বায়ন নয়? করোনা বা কোভিড-১৯ নামক এক প্রাণঘাতী ভাইরাস এর বিশ্বভ্রমণ বিশ্বায়নের আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। শুধু তাই নয়, প্রশ্নটা জোরালো হয়েছে যে, অনিরাপত্তার বিশ্বায়নের (globalization of insecurity) জন্য কি আমরা প্রস্তুত?
Monday, March 30, 2020
জীবাণু অস্ত্র কী এবং কিভাবে প্রয়োগ করা হয়?
প্রাচীনকাল থেকেই মানব সমাজে অস্ত্রের ব্যবহার হয়ে আসছে। অস্ত্রের ব্যবহার কখনো বা শিকার এর কাজে, কখনো বা আত্মরক্ষায় আবার কখনো বা শত্রুকে ঘায়েল করতে ব্যবহৃত হতো। জ্ঞান-বিজ্ঞান এর প্রসারের সাথে পাল্লা দিয়ে অস্ত্রের কৌশলও আধুনিক হতে থাকে। আবার কেউ কেউ নিছক বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার করতে গিয়ে আবিষ্কার করে ফেলেন, যেমনটি দেখি আলফ্রেড নোবেল এর ক্ষেত্রে। তার আবিষ্কৃত ডিনামাইট অস্ত্রের উপাদানকে আরো ভয়াবহ করে তোলে। পরবর্তীতে এই ঘটনা তাকে খুবই অনুতপ্ত করে তোলে, তিনি তার অর্জিত সব অর্থ মানব কল্যানে নিয়োজিত করার সংকল্প গ্রহন করেন। তার নামেই চালু হয় নোবেল প্রাইজ। কিন্তু তার এই উদ্যোগ অস্ত্রের ব্যবহার রোধ করতে পারেনি।
বিশ্বব্যাপী অস্ত্রের উৎপাদন যেকোন সময়ের চেয়ে বেশি আজকের দিনে। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও রাশিয়ার মতো দেশের জন্য অস্ত্র একটি বড় বাণিজ্য। এই কাতারে যোগ দিয়েছে চীন। বিশ্বরাজনীতির গতিপ্রকৃতির নিয়ন্ত্রণে অন্যতম একটি ভূমিকা রাখে অস্ত্র বাজার। দেশে দেশে সংঘাত- সংঘর্ষ বৃদ্ধির নেপথ্যে আছে অস্ত্র ব্যাবসায়ীদের কূটচাল। অশান্ত মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে এই অস্ত্রের খেলা আমরা দেখি বরাবরই।
কিন্তু অস্ত্রের আবিষ্কারক ও ব্যবহারকারী মানব জাতির অস্তিত্বকে হুমকিতে ফেলেছে এই অস্ত্র। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পারমানবিক অস্ত্রের প্রয়োগ মানব জাতির ইতিহাসে একটা ভয়ংকর ঘটনা। হিরোশিমা ও নাগাসাকি শহর মুহুর্তেই ধূলোয় ধুসর হয়ে গিয়েছিল "লিটল বয়" ও "ফ্যাটম্যান" নামক দুটো পারমানবিক বোমার আঘাতে।এরপরও থেমে থাকেনি অস্ত্রের ব্যবহার। একে একে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, চীন, ফ্রান্স, ভারত, পাকিস্তান, ইসরাইল ও উত্তর কোরিয়া পারমানবিক বোমার তৈরি করে। ইরানও পারমানবিক বোমার অধিকারী বলে ধারনা করা হয়।
এখানেই শেষ নয়; উৎপাদিত হয়েছে রাসায়নিক বোমা ও জীবাণু বোমা। রাসায়নিক গ্যাস আকারে ব্যবহার করা রাসায়নিক বোমা সিরিয়ার লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা করেছে। আর এর সর্বশেষ সংযোজন হলো জীবাণু অস্ত্র (biological weapons)। কিন্তু কী এই জীবাণু অস্ত্র? করোনা ভাইরাস বা কোভিড-১৯ এর ভয়াবহ ব্যপকতার পর প্রশ্নটি বারবার আলোচিত হচ্ছে যে করোনা একটি জীবাণু অস্ত্র কি না। তার আগে জেনে নেই জীবাণু অস্ত্র কীঃ
বিশ্বব্যাপী অস্ত্রের উৎপাদন যেকোন সময়ের চেয়ে বেশি আজকের দিনে। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও রাশিয়ার মতো দেশের জন্য অস্ত্র একটি বড় বাণিজ্য। এই কাতারে যোগ দিয়েছে চীন। বিশ্বরাজনীতির গতিপ্রকৃতির নিয়ন্ত্রণে অন্যতম একটি ভূমিকা রাখে অস্ত্র বাজার। দেশে দেশে সংঘাত- সংঘর্ষ বৃদ্ধির নেপথ্যে আছে অস্ত্র ব্যাবসায়ীদের কূটচাল। অশান্ত মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে এই অস্ত্রের খেলা আমরা দেখি বরাবরই।
কিন্তু অস্ত্রের আবিষ্কারক ও ব্যবহারকারী মানব জাতির অস্তিত্বকে হুমকিতে ফেলেছে এই অস্ত্র। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পারমানবিক অস্ত্রের প্রয়োগ মানব জাতির ইতিহাসে একটা ভয়ংকর ঘটনা। হিরোশিমা ও নাগাসাকি শহর মুহুর্তেই ধূলোয় ধুসর হয়ে গিয়েছিল "লিটল বয়" ও "ফ্যাটম্যান" নামক দুটো পারমানবিক বোমার আঘাতে।এরপরও থেমে থাকেনি অস্ত্রের ব্যবহার। একে একে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, চীন, ফ্রান্স, ভারত, পাকিস্তান, ইসরাইল ও উত্তর কোরিয়া পারমানবিক বোমার তৈরি করে। ইরানও পারমানবিক বোমার অধিকারী বলে ধারনা করা হয়।
এখানেই শেষ নয়; উৎপাদিত হয়েছে রাসায়নিক বোমা ও জীবাণু বোমা। রাসায়নিক গ্যাস আকারে ব্যবহার করা রাসায়নিক বোমা সিরিয়ার লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা করেছে। আর এর সর্বশেষ সংযোজন হলো জীবাণু অস্ত্র (biological weapons)। কিন্তু কী এই জীবাণু অস্ত্র? করোনা ভাইরাস বা কোভিড-১৯ এর ভয়াবহ ব্যপকতার পর প্রশ্নটি বারবার আলোচিত হচ্ছে যে করোনা একটি জীবাণু অস্ত্র কি না। তার আগে জেনে নেই জীবাণু অস্ত্র কীঃ
Friday, March 27, 2020
করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) বিশ্বব্যবস্থায় কী কী পরিবর্তন আনবে?
এই মুহুর্তে বিশ্বের প্রায় ১৭০ দেশ করোনা ভাইরাস এ আক্রান্ত। এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতি বিরাজমান সমগ্র বিশ্বে। এমনকি অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী ও উন্নত রাষ্ট্রগুলো পর্যন্ত নিজেদের অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছে করোনা মোকাবেলায়। ব্যবসা-বাণিজ্য, যোগাযোগ সবকিছু স্থবির। এসবের মাঝে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের মধ্যে আলোচনা হচ্ছে এই পরিস্থিতি পরবর্তী বিশ্বব্যবস্থা নিয়ে। সার্বিক দিক বিবেচনায় দুটো দিক বলা উল্লেখ করা যায়ঃ
১. আগামী দিনগুলোতে নিরাপত্তার ধারনা পর্যালোচনা করতে হবে নতুন আঙ্গিকে।
২. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার অবস্থান থেকে করোনা তথা বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়েছে।
১. আগামী দিনগুলোতে নিরাপত্তার ধারনা পর্যালোচনা করতে হবে নতুন আঙ্গিকে।
২. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার অবস্থান থেকে করোনা তথা বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়েছে।
Wednesday, March 25, 2020
করোনা ভাইরাস কি জৈব অস্ত্র?
এই মুহুর্তে সমগ্র বিশ্বের আতংকের নাম করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯)। চীনের হুবেই প্রদেশের উহান যার উৎপত্তিস্হল। দ্রুত বিস্তার লাভ করা এই ভাইরাস এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে বিশ্বব্যাপী। প্রশ্নের সুম্মুখীন করেছে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সহ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা বৈশ্বিক ব্যবস্থায় পরিবর্তন এর আশংংকা করছেন। আবারো ফিরে এসেছে "জৈব- অস্ত্র" বা Bioterrorism এর আলোচনা।
ওয়াশিংটন টাইমস এর একটি রিপোর্ট এ ইতোমধ্যে বলা হয়েছে যে চীন উহান প্রদেশের একটা গবেষনাগারে জীবানু-অস্ত্র উৎপাদন করছিল এবং দুর্ঘটনাবশতঃ সেখানেই করোনা বিস্তার লাভ করে। আবার পাল্টা আলোচনায় বলা হচ্ছে যে, পরাশক্তি আমেরিকায় নিজেই চীনকে ঘায়েল করার জন্যই জীবানু অস্ত্রের আশ্রয় নিয়েছে। কেননা ইতোপূর্বে বাণিজ্যযুদ্ধে চীন তার শক্তিমত্তা প্রদর্শন করেছে।
দুটো আলোচনারই দুর্বল দিক আছে। চীনের দুর্বল দিক হলো এর কর্তৃত্তবাদ, চীনের তথ্যপ্রবাহ অবাধ নয়। যেকারনে তার দাবী প্রশ্নের সম্মুখীন। অন্যদিকে আমেরিকাও অন্যতম মিডিয়া ব্যবসায়ী, মিডিয়া তার প্রপাগাণ্ডা প্রবাহের অন্যতম হাতিয়ার।
সবশেষে এই ব্যপারে সুষ্পষ্ঠভাবে বলা যায় যে আগামী দিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় জৈবাস্ত্র একটি বরাট ভূমিকা পালন করবে। তথাকথিত নিরাপত্তা ও উন্নয়নের কার্যকারিতাকে প্রশ্নের সম্মুখীন করেছে করোনা বা কোভিড-১৯। জৈব নিরাপত্তা, পরিবেশগত নিরাপত্তা ও টেকসই নিরাপত্তার ধারনা আলোচনার দাবী রাখবে আগামী দিনে।
সম্পাদক, আন্তর্জাতিক অঙ্গন
Editor, International Affairs
Subscribe to:
Posts (Atom)


