আন্তর্জাতিক আইন হল বিশ্ব সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক বিষয়াবলী সম্পাদনের কিছু নীতিমালা । প্রাচীন যুগ থেকেই এর চর্চা হয়ে আসছে । আধুনিক যুগে "আন্তর্জাতিক আইন" ধারনার প্রবর্তন করেন জেরেমি বেন্থাম ।
রাষ্ট্রীয় আইন ও আন্তর্জাতিক আইন সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয় কেননা রাষ্ট্রীয় আইন প্রণীত হয় রাষ্ট্রের আইনসভা দ্বারা, যেখানে আন্তর্জাতিক আইন প্রণীত হয় প্রথা, চুক্তি, আন্তর্জাতিক সংগঠনের নথি ইত্যাদির আলোকে । এর প্রয়োগজনিত বিধিও ভিন্ন । রাষ্ট্রীয় আইন যেখানে প্রত্যেক নাগরিক মেনে চলতে বাধ্য, সেখানে আন্তর্জাতিক আইন মানার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের কিছু ফাঁকফোকর রয়েছে ।
আন্তর্জাতিক আইনের সংজ্ঞায়নে আমরা জাতিসংঘ সনদের পরিলেখ তুলে ধরতে পারি,
"International law defines the legal responsibility of states in their conduct with each other, and their treatment of individuals within state boundaries. It's domain encompasses a wine range of issues of international concerns such as human rights, disarmament, international crimes, refugees, migrants, problem of nationality, the use of forces and the conduct of war among others. It also regulate the global commons, such as environment, sustainable development, international water, outer spaces, global communication and world trade"
উপরোক্ত সংজ্ঞায় আমরা আন্তর্জাতিক আইনের পরিচয় ও এর ব্যাপ্তি সম্পর্কে চমৎকার ধারণা পাই । এবার এর উৎস সম্পর্কে আলচনা করা যাক ।
আন্তর্জাতিক আইনের উৎসগুলোকে সাধারণত চারটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয় ।
"Customary International Law refers to international obligations arising from established state practice".
তবে সাধারন নীতিসমূহ আন্তর্জাতিক আইনের প্রত্যক্ষ উৎস নয় । সেক্ষেত্রে verbal act ও state practice এর মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে "state necessity" এর দিকে নজর দিতে হবে ।
আন্তর্জাতিক আইনের অন্যতম আরেক উৎস হল চুক্তি । চুক্তি বলতে বুঝানো হয় একাধিক দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক। এখানে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক সম্মতি থাকা আবশ্যক । চুক্তি পালনের ক্ষেত্রে একটি প্রথা চালু আছে যে "consent to be bound" যার প্রচলিত অর্থ চুক্তির পবিত্রতা রক্ষা, পূর্বে যাকে বলা হতো "robus sic stantibus"
এরপর আসা যাক সাধারন সামাজিক কার্যাবলী বা অভিন্ন নীতিমালায় । এগুলো এমন কিছু মূল্যবোধের সমষ্টি যা সাধারণত সব সভ্য জাতি ই মেনে চলে । যেমন গণহত্যাকে কোন সভ্য সমাজ স্বীকৃতি দেয় না । এ ব্যাপারে বলা হয়েছে ICJ এর ৩৮(১)/গ অনুচ্ছেদে ।
আন্তর্জাতিক আইনের সর্বশেষ উৎস হল বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিবর্গের মতামত । বর্তমান আন্তর্জাতিক আদালত হল ১৯২১ সালে স্থাপিত আন্তর্জাতিক নিস্পত্তি আদালতের উত্তরসূরি । এক্ষেত্রে বর্তমান আদালত পূর্বেকার বিভিন্ন রায়কে আমলে নেয় । তবে অবশ্যই তা সুনির্দিষ্ট পক্ষ ও অবস্থার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য । অনুচ্ছেদ ৩৮(১)/ ঘ এ বলা হয়েছে ।
বর্তমান সময়ে প্রতিনিয়ত রাষ্ট্রসমূহের যোগাযোগ গভীর হচ্ছে । প্রয়োজন হচ্ছে কিছু অভিন্ন নীতিমালা । তাই পারস্পরিক সম্মতি, ন্যায়পরায়ণতা ও গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক আইনের কার্যকারিতা দৃশ্যমান ।
আন্তর্জাতিক আইনের সংজ্ঞায়নে আমরা জাতিসংঘ সনদের পরিলেখ তুলে ধরতে পারি,
"International law defines the legal responsibility of states in their conduct with each other, and their treatment of individuals within state boundaries. It's domain encompasses a wine range of issues of international concerns such as human rights, disarmament, international crimes, refugees, migrants, problem of nationality, the use of forces and the conduct of war among others. It also regulate the global commons, such as environment, sustainable development, international water, outer spaces, global communication and world trade"
উপরোক্ত সংজ্ঞায় আমরা আন্তর্জাতিক আইনের পরিচয় ও এর ব্যাপ্তি সম্পর্কে চমৎকার ধারণা পাই । এবার এর উৎস সম্পর্কে আলচনা করা যাক ।
আন্তর্জাতিক আইনের উৎসগুলোকে সাধারণত চারটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয় ।
- প্রথাগত আন্তর্জাতিক আইন
- চুক্তি
- সাধারন সামাজিক কার্যাবলী
- বিজ্ঞ ব্যক্তিবর্গের মতামত বা পুস্তিকা
"Customary International Law refers to international obligations arising from established state practice".
তবে সাধারন নীতিসমূহ আন্তর্জাতিক আইনের প্রত্যক্ষ উৎস নয় । সেক্ষেত্রে verbal act ও state practice এর মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে "state necessity" এর দিকে নজর দিতে হবে ।
আন্তর্জাতিক আইনের অন্যতম আরেক উৎস হল চুক্তি । চুক্তি বলতে বুঝানো হয় একাধিক দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক। এখানে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক সম্মতি থাকা আবশ্যক । চুক্তি পালনের ক্ষেত্রে একটি প্রথা চালু আছে যে "consent to be bound" যার প্রচলিত অর্থ চুক্তির পবিত্রতা রক্ষা, পূর্বে যাকে বলা হতো "robus sic stantibus"
এরপর আসা যাক সাধারন সামাজিক কার্যাবলী বা অভিন্ন নীতিমালায় । এগুলো এমন কিছু মূল্যবোধের সমষ্টি যা সাধারণত সব সভ্য জাতি ই মেনে চলে । যেমন গণহত্যাকে কোন সভ্য সমাজ স্বীকৃতি দেয় না । এ ব্যাপারে বলা হয়েছে ICJ এর ৩৮(১)/গ অনুচ্ছেদে ।
আন্তর্জাতিক আইনের সর্বশেষ উৎস হল বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিবর্গের মতামত । বর্তমান আন্তর্জাতিক আদালত হল ১৯২১ সালে স্থাপিত আন্তর্জাতিক নিস্পত্তি আদালতের উত্তরসূরি । এক্ষেত্রে বর্তমান আদালত পূর্বেকার বিভিন্ন রায়কে আমলে নেয় । তবে অবশ্যই তা সুনির্দিষ্ট পক্ষ ও অবস্থার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য । অনুচ্ছেদ ৩৮(১)/ ঘ এ বলা হয়েছে ।
বর্তমান সময়ে প্রতিনিয়ত রাষ্ট্রসমূহের যোগাযোগ গভীর হচ্ছে । প্রয়োজন হচ্ছে কিছু অভিন্ন নীতিমালা । তাই পারস্পরিক সম্মতি, ন্যায়পরায়ণতা ও গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক আইনের কার্যকারিতা দৃশ্যমান ।

This comment has been removed by a blog administrator.
ReplyDelete