গত শতাব্দীর ঘটনাবলী শেষে বিশ্ব সম্প্রদায় একটা পরিণত রাজনীতিতে মোড় নিচ্ছিল । দু দুটি বিশ্বযুদ্ধের ধকল কাটিয়ে এই বুঝি শান্তির পায়রা উড়ছিল । স্নায়ু যুদ্ধের অবসান, ইউরোপের একীভবন, এশিয়া- আফ্রিকায় উপনিবেশিকরতার অবলোপন, সব মিলিয়ে একটা শান্তির আশ্বাস আশা করছিল সাধারন শান্তিকামী বিশ্ব সম্প্রদায় । কিন্তু বাস্তববাদ যেন বিশ্ব রাজনীতির সাথে অঙ্গাঙ্গী জড়িত ।
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের গুরু বলেছিলেন, স্বার্থই একমাত্র মাপকাঠি যার দ্বারা রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক ঘটনাবলির মধ্যকার পার্থক্য করা সম্ভব । এই রাজনৈতিক স্বার্থ, যার অভিলিপ্সায় আজ বিশ্ববাসীর নিরাপত্তা ক্ষতবিক্ষত। উপনিবেশ বিলুপ্ত কিন্তু বিলুপ্ত নয় উপনিবেশবাদ । এশিয়া আফ্রিকার অনুন্নত রাষ্ট্রে চলছে প্রছন্ন উপনিবেশিকতা, তারা এর সাধু নাম দিয়েছে অর্থনৈতিক উপনিবেশবাদ ! সাথে বিনামূল্যে দেয়া হচ্ছে "সাংস্কৃতিক বিশ্বায়ন" ।
ওদিকে উদীয়মান পরাশক্তিগুলো আছে পারমাণবিক দাবা খেলায় মত্ত । জুটেছে কিম জং ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো বিশ্ব মাতাল । বুশের কাজ বুঝি তারাই সমাপ্ত করবে । বিশ্ববাসীকে জলন্ত পোড়ালেই বুঝি তারা সার্থক।
মধ্যপ্রাচ্যকে পৃথিবীর অগ্নেয়গিরি বললে অত্যুক্তি হয়না । জ্বালানি রাজনীতি আর আদর্শবাদের চোরাবালিতে তারা নিমজ্জিত । তাদের হীন নির্লিপ্ততার সাক্ষী শিশু আইলান । "শরণার্থী, অভিবাসী" শব্দগুলো যেন তাদের নাগরিক পরিচয় । তারা শরণার্থী হতে রাজী, এক চেয়ারে বসতে রাজী নয় !!
ওদিকে মাঠে ছড়ি ঘোরাচ্ছে পুচকে আইসিস !! অবাক লাগলেলেও সত্যি যে এটা একটা পুচকে । কারণ বিশ্ব নেতৃবৃন্দ মরগেন্থুর ওই "রাজনৈতিক" কার্যাবলী মানব জাতির স্বার্থে পরিত্যাগ করতে পারলে এর কয়েক মিনিটের বেশি হবে না ।
কিন্তু আবারো এই আশা ছেড়ে চোখ ফেরাতে হবে বিশ্ব রাজনীতির রঙ্গমঞ্চে । কারণ এই আইসিস হল বিশ্ব রাজনীতির ঘুঁটি । এ ঘুঁটির খেলায় চলছে আমেরিকার নির্বাচনের হিসাব । ডনাল্ড ট্রাম্প এখানেই জেঁকে বসেছে । রাশিয়া কিংবা সৌদি আরাবিয়া সরকার, তারাও এই চালে চলে ।
কিন্তু বাংলাদেশের মতো শান্তিকামী একটি দেশ কেন আক্রান্ত হবে!! ভুলটা এখনই বোঝা দরকার । বাংলাদেশের ভূ রাজনৈতিক গুরুত্ব এই রাজনৈতিক স্বার্থে কখনোই কম গুরুত্বপূর্ণ নয় ।
এখানে বাংলাদেশের সবচে বড় একটি প্রতিরোধ বেষ্টনী হতে পারে এর ইতিহাস, ঐতিহ্য, সামজিক মূল্যবোধ । শুধু বদলাতে হবে হবে রাজনৈতিক সংস্কৃতি । আমার আন্তর্জাতিক ব্লগ
শরীফ মুস্তাজীব
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ
চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের গুরু বলেছিলেন, স্বার্থই একমাত্র মাপকাঠি যার দ্বারা রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক ঘটনাবলির মধ্যকার পার্থক্য করা সম্ভব । এই রাজনৈতিক স্বার্থ, যার অভিলিপ্সায় আজ বিশ্ববাসীর নিরাপত্তা ক্ষতবিক্ষত। উপনিবেশ বিলুপ্ত কিন্তু বিলুপ্ত নয় উপনিবেশবাদ । এশিয়া আফ্রিকার অনুন্নত রাষ্ট্রে চলছে প্রছন্ন উপনিবেশিকতা, তারা এর সাধু নাম দিয়েছে অর্থনৈতিক উপনিবেশবাদ ! সাথে বিনামূল্যে দেয়া হচ্ছে "সাংস্কৃতিক বিশ্বায়ন" ।
ওদিকে উদীয়মান পরাশক্তিগুলো আছে পারমাণবিক দাবা খেলায় মত্ত । জুটেছে কিম জং ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো বিশ্ব মাতাল । বুশের কাজ বুঝি তারাই সমাপ্ত করবে । বিশ্ববাসীকে জলন্ত পোড়ালেই বুঝি তারা সার্থক।
মধ্যপ্রাচ্যকে পৃথিবীর অগ্নেয়গিরি বললে অত্যুক্তি হয়না । জ্বালানি রাজনীতি আর আদর্শবাদের চোরাবালিতে তারা নিমজ্জিত । তাদের হীন নির্লিপ্ততার সাক্ষী শিশু আইলান । "শরণার্থী, অভিবাসী" শব্দগুলো যেন তাদের নাগরিক পরিচয় । তারা শরণার্থী হতে রাজী, এক চেয়ারে বসতে রাজী নয় !!
ওদিকে মাঠে ছড়ি ঘোরাচ্ছে পুচকে আইসিস !! অবাক লাগলেলেও সত্যি যে এটা একটা পুচকে । কারণ বিশ্ব নেতৃবৃন্দ মরগেন্থুর ওই "রাজনৈতিক" কার্যাবলী মানব জাতির স্বার্থে পরিত্যাগ করতে পারলে এর কয়েক মিনিটের বেশি হবে না ।
কিন্তু আবারো এই আশা ছেড়ে চোখ ফেরাতে হবে বিশ্ব রাজনীতির রঙ্গমঞ্চে । কারণ এই আইসিস হল বিশ্ব রাজনীতির ঘুঁটি । এ ঘুঁটির খেলায় চলছে আমেরিকার নির্বাচনের হিসাব । ডনাল্ড ট্রাম্প এখানেই জেঁকে বসেছে । রাশিয়া কিংবা সৌদি আরাবিয়া সরকার, তারাও এই চালে চলে ।
কিন্তু বাংলাদেশের মতো শান্তিকামী একটি দেশ কেন আক্রান্ত হবে!! ভুলটা এখনই বোঝা দরকার । বাংলাদেশের ভূ রাজনৈতিক গুরুত্ব এই রাজনৈতিক স্বার্থে কখনোই কম গুরুত্বপূর্ণ নয় ।
এখানে বাংলাদেশের সবচে বড় একটি প্রতিরোধ বেষ্টনী হতে পারে এর ইতিহাস, ঐতিহ্য, সামজিক মূল্যবোধ । শুধু বদলাতে হবে হবে রাজনৈতিক সংস্কৃতি । আমার আন্তর্জাতিক ব্লগ
শরীফ মুস্তাজীব
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ
চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

No comments:
Post a Comment